Posts

হিটলার, জামাল আবদেন নাসের, আনোয়ার সাদাত, সুফিয়ানী, মাহদী ও তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ সম্পর্কে আশ্চর্য একটি হাদীস।

** হযরত আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, শেষ যমানায় পুরো পৃথিবী ব্যাপী একটি যুদ্ধ হবে। এটা হবে দুইটি বড় যুদ্ধের পর তৃতীয় যুদ্ধ এবং এই যুদ্ধে অনেক মানুষ ধ্বংস হবে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যে ব্যাক্তি আগুন জ্বালিয়ে দিবে সেই হবে মহান নেতা। হিজরী ১৩ শতাব্দীর কয়েক দশক পর গ্রীক রাজা সমগ্র বিশ্বের বিপক্ষে যুদ্ধ করবেন এবং আল্লাহ তায়ালা তাকে যুদ্ধের নির্দেশ দিবেন। এর দুই দশক পর জার্মান ভূমি থেকে বিড়ালের নামের সাথে মিল রয়েছে এরকম একজনের (হিটলার) আবির্ভাব হবে। সে রোমানদের বিপক্ষে চাবুক নিয়ে হাজির হবে এবং লোকজনের নির্যাতন করা শুরু করবে এবং পুরো পৃথিবী নিয়ন্ত্রণ করতে চাইবে। সে সমগ্র বিশ্বের বিপক্ষে যুদ্ধ শুরু করবে, এমনকি উষ্ণ অঞ্চল (আফ্রিকার সাহারা মরু) ও শীতল (রাশিয়ার সাইবেরিয়া) অঞ্চলেও যুদ্ধ করবে। সে যখন যুদ্ধক্ষেত্রকে আগুন দ্বারা পরিপূর্ণ করবেন, আর তখনই সে আল্লাহ তায়ালার শাস্তির মুখোমুখি হবে, সে রাশিয়ান গুপ্ত ঘাতক দ্বারা খুন হবে। তারপর হিজরী ১৩ শতাব্দীর সাথে আরো পাঁচ, ছয়, সাত, আট দশক গণনা করার পর মিশরে একজন ব্যক্তি (জামাল আবদেন নাসের) আসবে, যাকে আরবরা সুচ্চাউল আরব বা, আরবে...

খোরাসানের কালো পতাকাবাহী দল কেন ইরান আক্রমণ করবে? ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে কালো পতাকাবাহী দলকে কী আমরিকা বা, অন্য কেউ সাহায্য করবে?

মুসলমানদের শেষ আশা ভরসার দল হচ্ছে খোরাসানের কালো পতাকাবাহী দল, এই দল থেকেই উত্থান হবে ইমাম মাহদীর। যদিও হাদিসে আমাদেরকে রাসূলুল্লাহ (সাঃ) নির্দেশ দিয়েছেন "বরফের উপর হামাগুড়ি দিয়ে হলেও খোরাসানের কালো পতাকাবাহী দলের সাথে যোগ দেয়ার জন্য"। কিন্তু ১৫০ কোটির বেশি মুসলিম থাকা সত্ত্বেও কেন খোরাসানের কালো পতাকাবাহী দলের যোদ্ধার সংখ্যা মাত্র ৪/৫ হাজার হবে? এটা কী জানেন? উত্তর হচ্ছেঃ খোরাসানের কালো পতাকাবাহী দলকে আমাদের সামনে এমন ভাবে উপস্থাপন করা হবে? যাতে বেশিরভাগ মুসলিম এই দলটির নাম শুনলেই এক বাক্যে উত্তর দিয়ে দিবেঃ তারা হচ্ছে, জঙ্গী, সন্ত্রাসী, নিরপরাধ মানুষ হত্যাকারী, ধর্ষণকারী, Terrorist, ঈসরাইলের এজেন্ডা বাস্তবায়ন কারী, ইহুদী খ্রিস্টানদের দালাল, আমরিকার পোষা বাহিনী!!!! তাই খোরাসানের কালো পতাকাবাহী দলের বাস্তব অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা প্রয়োজন মনে করছি। ♦ আসলে খোরাসানের কালো পতাকাবাহী দল কারা? _________________________________________________ যেহেতু খোরাসানের কালো পতাকাবাহী দল সম্পর্কে ইতোমধ্যেই বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে, তাই এখানে খোরাসানের কালো পতাকা...

হাদীসে বর্নিত হিন্দুস্তানের চুড়ান্ত যুদ্ধ কখন হবে? আমরা কি হিন্দুস্তানের যুদ্ধ দেখতে পাব?

আমাদের ভারতীয় উপমহাদেশের মুসলমানদের মধ্যে সাম্প্রতিক সময়ে হাদিসে বর্ণিত হিন্দুস্তানের যুদ্ধ সম্পর্কে ব্যাপক জল্পনা কল্পনা দেখা যাচ্ছে। যদিও আমাদের বেশিরভাগ মুসলিম ভাই জানেই না, আসলে হাদীসে বর্নিত হিন্দুস্তানের যুদ্ধ কখন হবে? আশ্চর্যের ব্যাপার হল, হিন্দুস্তানের যুদ্ধের পূর্বেই তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধে মালউনরা পাকিস্তান ধ্বংস করে এবং নিজেরাও ধ্বংসের মুখোমুখি হবে, এছাড়াও চীন, বাংলাদেশ সহ পুরো দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার ৩০০ কোটি মানুষকে ধ্বংসের মুখোমুখি ফেলে দিবে, অথচ এব্যাপারে আমাদের বিন্দুমাত্র ভ্রুক্ষেপ নেই। যদিও এই বিষয়টি আমাদের খুবই নিকটবর্তী এবং এই মহা বিপর্যয়টি আমাদের যুগেই হওয়ার সম্ভাবনা শতভাগ। এমনকি আমি খুবই ব্যাথিত হই, যখন দেখি আমাদের মুসলমান ভাইয়েরা একটা কিছু দেখলেই কথায় কথায়, হাদিস বর্নিত হিন্দুস্তানের যুদ্ধ নিয়ে মনগড়া ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ করা শুরু করে দেয়, অথচ এব্যাপারে তাদের পর্যাপ্ত জ্ঞান নেই। তাই হাদীসে বর্নিত হিন্দুস্তানের যুদ্ধটি আসলে কখন হবে? এব্যাপারে বিস্তারিত আলোচনা করা প্রয়োজন মনে করছি। ** হযরত আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, "তোমরা মুশরিক...

কুরআন ও হাদিসের আলোকে ঈসরাইল রাষ্ট্র কিভাবে ধ্বংস হবে? ইহুদী জাতি চুড়ান্ত ভাবে কখন ধ্বংস হবে?

গত ১০০ বছর ধরে ফিলিস্তিনের ভাইয়েরা অভিশপ্ত ইহুদীদের হাতে মার খেয়েই যাচ্ছে। বিশেষ করে, ১৯৬৭ সালের পর থেকে প্রতিনিয়ত লাঞ্ছিত, অপমানিত, উচ্ছেদ, হত্যা, দেশান্তর হয়েই যাচ্ছে। এখান প্রশ্ন হল, মুসলমানরা আর কত দিন অভিশপ্ত ইহুদীদের হাতে মার খাবে? আর কতদিন ফিলিস্তিনের ভাইদের রক্ত দিতে হবে? কবে আসবে মুসলমানদের সুদিন? উত্তর হল, ইনশাল্লাহ খুব শীঘ্রই মুসলমানদের সুদিন ফিরে আসছে। খুব শীঘ্রই ইহুদীদের অত্যাচার, লাঞ্ছনা, উচ্ছেদ, হত্যা, গনহত্যা, ধর্ষণ, ও দেশান্তর থেকে মুক্তি পাবে। মুসলমানরা খুব শীঘ্রই জেরুজালেমকে খেলাফতের রাজধানী করবে। "মুসলমানদের জন্য সবচেয়ে জঘন্য দুশমন হল ইহুদী ও মুশরিকরা (মূর্তি পূজারী)"(সূরা মায়েদা, আয়াত নং - ৮২) ♣️Greater Israel এর সিমানা কতটুকু? ----------------------------------------------------------- বর্তমান সময়ে যারা Eschatology বা, আখিরুজ্জামান নিয়ে পড়াশোনা করেন তাদের কারো কারো ধারণা পৃথিবীর ভবিষ্যত সুপার পাওয়ার রাষ্ট্র হবে ঈসরাইল এবং ইহুদীরা খুব শীঘ্রই তাদের Greater Israel প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হবে এবং একই সাথে তারা পুরো পৃথিবীর নেতৃত্ব দিবে। সা...

ইমাম মাহদী ও হযরত ইসা (আঃ) এর আত্নপ্রকাশ একই যুগে হবে না? ইমাম মাহদীর মৃত্যুর পর কারা পর্যায়ক্রমে খলিফা হবেন?

আমাদের মুসলমানদের মধ্যে একটি ভূল ধারণা হচ্ছে, ইমাম মাহদীর যুগেই হযরত ঈসা (আঃ) আকাশ থেকে অবতরণ করবেন। তাদের ধারণাটা অনেকটা এরকম যে, ইমাম মাহদীর আবির্ভাবের পরেই তিনি সুফিয়ানীকে হত্যা করবেন, ঈসরাইলের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে ইহুদীদের কচুকাটা করবেন এবং জেরুজালেমকে খিলাফতের রাজধানী বানাবেন। ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে ভারত বিজয় করবেন। রাশিয়া, আমেরিকা, ও ইউরোপের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে তৃতীয় বিশ্ব যুদ্ধে জয়লাভ করবেন। তারপর তার সময়েই দাজ্জাল আত্নপ্রকাশ করবে, এবং সর্বশেষ হযরত ঈসা (আঃ) আকাশ থেকে অবতরণ করে ইমাম মাহদীর পিছনে নামাজ পরবেন এবং দাজ্জাল কে হত্যা করবেন। অর্থাৎ ইমাম মাহদীর শাসন কাল ৭ বছরের মধ্যেই সব কিছু হয়ে যাবে। তারপর ঈসা (আঃ) ৪০ বছর রাজত্ব করবেন, তারপর সকল ইমানদার মুসলমানগন একযোগে মৃত্যু বরণ করবেন। অর্থাৎ আগামী ৪৯ বছরের মধ্যে সব কিছু ঘটে যাবে। কিন্তু আসলেই কি তাদের ধারণা মত এরকম হবে? নাকি ইমাম মাহদী ও ঈসা (আঃ)  আলাদা দুটি যুগে আসবেন? ♣️কেন তারা এরকম ধারণা করছেন? ______________________________________ ** হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, "সেদিন কেমন ...